varoter-mrittika-khoy
Madhyamik

ভারতের মৃত্তিকা ক্ষয়

ভূগোলদশম শ্রেণি – আঞ্চলিক ভূগোল (ত্রয়োদশ পর্ব)


আগের পর্বে আমরা ভারতের মৃত্তিকা ও তার শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কে আলোচনা করেছি।আজকের পর্বে আমরা ভারতের মৃত্তিকা ক্ষয় নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করব।

প্রাকৃতিক ও কৃত্রিমভাবে অর্থাৎ মানুষের কার্যকলাপের ফলে যখন ভূত্বকের উপরের অংশের মাটি আলগা হয়ে অন্যত্র অপসারিত হয় এবং মাটির স্বাভাবিক উর্বরা শক্তি নষ্ট হয় তখন তাকে মৃত্তিকা ক্ষয় বা ভূমিক্ষয় বলা হয়।

বর্তমানে ভারতের প্রায় এক চতুর্থাংশ ভূমিভাগ মৃত্তিকাক্ষয়ের কবলে পড়েছে।
তবে মৃত্তিকা ক্ষয় কোনো আকস্মিক ঘটনা নয় বরং বলা চলে বহু ক্রিয়াকলাপের সমষ্টি এই সার্বিক মৃত্তিকা ক্ষয়।

মৃত্তিকা ক্ষয় বা ভূমি ক্ষয়ের কারণ

ক। মৃত্তিকা ক্ষয়ের প্রাকৃতিক কারণ

● বায়ুপ্রবাহের দ্বারা ভূমিক্ষয়

বায়ু প্রবাহের ফলে উদ্ভিদ বিহীন কোন অঞ্চলে, যেমন- মরু অঞ্চলে, বাধাহীনভাবে বায়ু অতি দ্রুত প্রবাহিত হবার কারণে সেখানকার শুষ্ক ও আলগা মাটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অপসৃত হয়। এতে মাটির সাথে সাথে সেই স্তরের জৈব ও অজৈব পদার্থও অপসারিত হয় একেই বায়ুপ্রবাহ দ্বারা ভূমিক্ষয় বলা হয়। রাজস্থানের মরু অঞ্চল ও উপকূলবর্তী অঞ্চলে (যেমন পশ্চিমবঙ্গের কাঁথিতে) এই প্রকার মৃত্তিকা ক্ষয় দেখা যায়।

● জল প্রবাহ দ্বারা ভূমিক্ষয়

অতিবৃষ্টির ফলে ভূপৃষ্ঠে জল প্রবাহ যখন ভূমির ঢাল বরাবর বয়ে যায় তখন মাটির উপরের স্তরকে ক্ষয় করে নিয়ে যায়, একে জল প্রবাহ দ্বারা ভূমিক্ষয় বলা হয়। এই পদ্ধতিতে জলপ্রবাহ তিনভাবে মৃত্তিকা ক্ষয় করতে পারে।


দশম শ্রেণির অন্য বিভাগগুলিগণিত | জীবন বিজ্ঞান | ভৌতবিজ্ঞান

১) স্তর ক্ষয় বা চাদর ক্ষয়

একটানা ভারী বর্ষণের প্রভাবে যখন মাটি স্তরে স্তরে ক্ষয় হয় এবং অপসারিত হয় তাকে স্তর ক্ষয় বা চাদর ক্ষয় বলে। এই ক্ষেত্রে মাটির স্তর ক্ষয় হয়ে চাদরের মতো অপসারিত হয় বলে একে চাদর ক্ষয় বলা হয়।

২) নালি ক্ষয়

বৃষ্টির জল নিষ্কাশন এর জন্য মাটিতে যখন সরু, লম্বা, অগভীর নালীর সৃষ্টি হয় তখন তাকে নালি ক্ষয় বলা হয়।

৩) খোয়াই ক্ষয় বা খাত ক্ষয়

ছোট ছোট নালি যখন আরো ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে আরো প্রশস্ত ও গভীর হয়ে আকারে বৃদ্ধি পায় তখন তাকে খাত ক্ষয় বা খোয়াই ক্ষয় বলা হয়। উদাহরণ –পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের শান্তিনিকেতনের কাছে এরকম খাত ক্ষয় দেখা যায়।

শান্তিনিকেতনের খোয়াই অঞ্চল (Licensed under: CC BY-SA 4.0)

● বৃষ্টিপাতের প্রকৃতি দ্বারা ক্ষয়

প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে বৃষ্টির বড় বড় ফোঁটা যখন সজোরে ভূমিতে আঘাত করে তখন মৃত্তিকা ক্ষয় ঘটায়। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির ফলে তুলনামূলকভাবে কম মৃত্তিকা ক্ষয় হয়।

● ভূপ্রকৃতি

ভূমির উচ্চতা, বন্ধুরতা, ভূমির ঢাল প্রভৃতি ভূ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য মৃত্তিকা ক্ষয়কে প্রভাবিত করে। কোন অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি হলে সেখানে জল ধারা দ্রুত প্রবাহিত হয় ফলে মৃত্তিকার ক্ষয়ের পরিমাণ বেশি হয়।

খ। মৃত্তিকা ক্ষয়ের মনুষ্যসৃষ্ট কারণ

● জনসংখ্যার চাপ

ভারতে বর্তমানে জনসংখ্যার বৃদ্ধির ফলে মৃত্তিকার উপরে চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।জনসংখ্যার অত্যাধিক বৃদ্ধির ফলে নতুন নতুন বসতি নির্মাণ, খাদ্যের চাহিদা পূরণ, দ্রুত শিল্পায়নের জন্য ব্যাপক মৃত্তিকা ক্ষয় হচ্ছে।

● অনিয়ন্ত্রিত পশুচারণ

অবৈজ্ঞানিক ও অনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে পশুচারণ করলে ভূমি ক্রমশ উদ্ভিদহীন হয়ে পড়ে যা মৃত্তিকা ক্ষয়ের অন্যতম কারণ। পার্বত্য অঞ্চলের মৃত্তিকা ক্ষয়ের অন্যতম কারণ হল এই পশুচারণ।

● অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খনন

পার্বত্য অঞ্চলে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হোটেল নির্মাণ, মালভূমি অঞ্চলের খনিজ সম্পদ আহরণ ও সমভূমি অঞ্চলে দ্রুত নগরায়নের ফলে মৃত্তিকায় খনন কার্য করা হচ্ছে ফলে মাটির উপরিভাগ ক্রমশ আলাদা হয়ে ক্ষয় প্রবণ হয়ে পড়ছে।

● ভূমিধস

পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধসের ফলে মৃত্তিকা ক্ষয় হয়ে থাকে।

● অনিয়ন্ত্রিত বৃক্ষচ্ছেদন

উত্তরোত্তর জনসংখ্যা বাড়ার জন্য এবং ভূমির উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হচ্ছে ফলে বনভূমি চাষের জমিতে রূপান্তরিতকরন, জনবসতি বৃদ্ধির জন্যবাসভূমি তৈরি প্রভৃতি কারণে বহু অরণ্য অনিয়ন্ত্রিতভাবে অবিবেচনা প্রসূত ভাবে কেটে ফেলা হচ্ছে। ফলে ভূমি উদ্ভিদ শূন্য হয়ে পড়ছে এবং মৃত্তিকা ক্ষয়কে ত্বরান্বিত করছে।

● প্রথাগত কৃষি পদ্ধতি

নিবিড় কৃষি পদ্ধতিতে উচ্চমাত্রার ফলনের জন্য জমিতে বিভিন্ন রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে যার ফলে মাটির নিজস্ব গুণাবলী নষ্ট হচ্ছে এই ভাবে মৃত্তিকা ক্ষয় হচ্ছে।

ভারতের মৃত্তিকা ক্ষয়প্রবণ অঞ্চল

ভারতবর্ষে প্রায় 8 কোটি হেক্টর জমি অর্থাৎ প্রায় 25% ভূমিক্ষয়ের কবলে পড়েছে। যার মধ্যে ৪ কোটি হেক্টর জমিতে ভূমিক্ষয় প্রবল আকার ধারণ করেছে। ভারতের যে অঞ্চলে ভূমিক্ষয়ের মাত্রা বেশি সেই অঞ্চলগুলি হল-

ক। উত্তর-পূর্বাঞ্চল

উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ঝুম চাষ, বাগিচা কৃষির ব্যাপক প্রচলনের ফলে মৃত্তিকা ক্ষয় বৃদ্ধি পেয়েছে।

খ। পূর্ব ভারতের মালভূমি অঞ্চল

ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা সমৃদ্ধ ঝাড়খন্ড ও ওড়িশায় প্রবল বৃক্ষ ছেদন ও খনিজ দ্রব্য আহরণ প্রভৃতি কারণে মৃত্তিকা ক্ষয় এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

গ। পশ্চিম হিমালয়

অনিয়ন্ত্রিত পশুচারণ, ফল চাষের জন্য জমি ব্যবহার, অযাচিত বৃক্ষচ্ছেদন এই অঞ্চলের মৃত্তিকা ক্ষয়ের জন্য দায়ী।

মৃত্তিকা ক্ষয়ের ফলাফল

মৃত্তিকা ক্ষয় ও পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এই প্রভাবগুলি সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

● ভৌম জলতল ও মাটির আর্দ্রতার পরিমাণ হ্রাস

মৃত্তিকা ক্ষয়ের ফলে মাটির উপরের নরম স্তর অপসারিত হয় ফলে অপেক্ষাকৃত কঠিন স্তরের উপর দিয়ে বৃষ্টির সহজেই অপসারিত হতে থাকে। এই কঠিন স্তরের মধ্যে দিয়ে বৃষ্টির জল ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করে জলের ভান্ডারকে পুষ্ট করতে পারে না। এর ফলে ভৌম জলের জলের উচ্চতা হ্রাস পায়। আবার যেহেতু ভৌমজল কৈশিক প্রক্রিয়ায় মাটির উপরের দিকে উঠে এসে মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখে। ভৌম জলতলের উচ্চতা হ্রাস পেলে মাটির আর্দ্রতা কমে যায়।

● বন্যা ও খরা বৃদ্ধি

কোন অঞ্চল উদ্ভিদ শূন্য হয়ে পরলে মৃত্তিকা ক্ষয় বৃদ্ধি পায়। কারণ উদ্ভিদ তার শিকড়ের সাহায্যে মাটিকে ধরে রাখে, আবার উদ্ভিদের অভাবে সেই অঞ্চলটিতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকে এবং খরার প্রবণতা ক্রমশ বাড়তে থাকে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যার ফলে মৃত্তিকা ক্ষয় হয়

মৃত্তিকা ক্ষয়ের ফলে স্বাভাবিক জল নিকাশি ব্যবস্থাও নষ্ট হয়ে যায় ফলে বর্ষার অতিরিক্ত জল ঠিকভাবে নিষ্কাশন হতে পারে না এর ফলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

● উর্বর মৃত্তিকার উর্বরতা হ্রাস

মৃত্তিকা ক্ষয়ের ফলে মাটির উপরের স্তর থেকে জৈব পদার্থ এবং খনিজ পুষ্টি মৌল অপসারিত হয় ফলে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয় এবং ফসলের ফলন কমে যায়।

● মরু অঞ্চলের প্রসারণ

মরুভূমি অঞ্চলের শুষ্ক ও আলমাটি সহজেই বাতাসের সাথে অপসারিত হয়ে আশেপাশে এলাকাকে ঢেকে দেয় এই ভাবেই মরুভূমি প্রসারিত হয়। রাজস্থানের থর মরুভূমির পূর্বদিকে ক্রমশ প্রসারিত হচ্ছে।

● ভূমিধস সৃষ্টি

যথেচ্ছভাবে রাস্তা, বহুতল বাড়ি নির্মাণ, সেতু নির্মাণ খাল ও পরীখা, পয়ঃ প্রণালী ও জল নিকাশি ব্যবস্থা তৈরীর সময় যন্ত্রের আঘাতে মাটি আলগা হয়ে যায়। এই মাটিতে পরে ফাটল ধরে ভূমিধসের সৃষ্টি হয়।

● অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্তরায়

ভূমিক্ষয়ের ফলে প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষির উৎপাদন। এইজন্যেই ভূমিক্ষয় যুক্ত অঞ্চলে কৃষিজীবী মানুষ অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়ে এবং অনুর্বর পতিত জমিকে মানুষ ত্যাগ করতে বাধ্য হয় এবং বেকারত্ব ও চরম আর্থিক সংকটের সূচনা হয়।

মৃত্তিকা ক্ষয় প্রতিরোধ ও সংরক্ষণের পদ্ধতি সমূহ

মৃত্তিকা ক্ষয় রোধ করে মাটির উর্বরতা পুনরায় ফিরিয়ে আনার জন্য এবং জমির ক্ষমতা বাড়াতে যে সমস্ত পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় তাকে মৃত্তিকা সংরক্ষণ বলা হয়। মৃত্তিকা সংরক্ষণের জন্য যে পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় সেগুলো নিম্নরূপ।

● বৃক্ষরোপণ

মৃত্তিকা রক্ষায় বৃক্ষরোপণ সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সামাজিক বনসৃজন কৃষি বনসৃজন প্রভৃতির মাধ্যমে নদীর ধারে, জমির আলের উপর, জলাশয়ের ধারে এছাড়া অন্যান্য মৃত্তিকা ক্ষয় প্রবণ অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ করা হয় যাতে গাছের শিকড় মাটিকে দৃঢ়তা প্রদান করে। এভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে মৃত্তিকা ক্ষয় প্রতিরোধ করা যায়।

● পার্বত্য অঞ্চলের ধাপ চাষ

পার্বত্য অঞ্চলে ঢালু জমিতে ধাপ গঠন করে চাষ করলে জলপ্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এভাবে সমগ্র জমিতে চাষের কাজে লাগালে মৃত্তিকা ক্ষয় এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।


দশম শ্রেণির অন্য বিভাগগুলি – বাংলা | English | ইতিহাস | ভূগোল

● সমোন্নতি রেখা বরাবর কৃষিকাজ

সমোন্নতি রেখা বরাবর জমি চারপাশ দিয়ে আল বা বাঁধ দিয়ে ঘিরে দিয়ে চাষাবাদ করলে প্রবাহমান জলের ধারাকে বাধা দেওয়া যায় এবং মৃত্তিকা ক্ষয়ের পরিমাণ কমানো যায়।

● ফালি চাষ

ভূমির ঢালে আড়াআড়িভাবে ফালি কাটার মাধ্যমে শস্য চাষ করলে ভূমি ক্ষয় প্রতিরোধ করা যায় এই পদ্ধতিকে ফালি চাষ বা স্ট্রিপ ক্রপিং বলা হয়।

● গালিচাষ

খোয়াই অঞ্চলে খাতের মধ্যে দ্রুত বর্ধনশীল ঘাসের চাপড়া বা গাছ লাগিয়ে তারপর সেই গাছপালার শাখা প্রশাখাকে বান্ডিল আকারে বেঁধে খাতের মধ্যে আটকে দিয়ে ভূমিক্ষয় রোধ করা যায়।

● ঝুম চাষ প্রতিরোধ

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পাহাড়ি অঞ্চলে রাজ্যগুলিতে ঝুম চাষ পদ্ধতিতে চাষাবাদ প্রচলিত ছিল। এই পদ্ধতিতে পাহাড়ি উপজাতি লোকেরা কোনো জমিতে 3-4 বছর চাষ করার পর সেখনকার বনভূমি পুড়িয়ে অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত হতো।

পাহাড়ি এলাকার ঝুম চাষ ব্যবস্থা (Licensed under: CC BY-SA 3.0)

এর ফলে ব্যাপকভাবে বনভূমি ধ্বংস এবং মৃত্তিকা ক্ষয় বৃদ্ধি পেত। বর্তমানে আইনের সাহায্য নিয়ে এই ঝুমচাষ প্রতিরোধ করা হয়েছে।

সর্বশেষে বলা যায় যে মৃত্তিকা ক্ষয় জীবজগতের জন্য ভীষণভাবে ক্ষতিকারক সুতরাং বিভিন্ন বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে সকলের সচেতনতায় মৃত্তিকা ক্ষয় নিবারণ ও সংরক্ষণ করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

পর্ব সমাপ্ত। পরবর্তী পর্ব → ভারতের স্বাভাবিক উদ্ভিদ


এই লেখাটির সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই লেখা, অডিও, ভিডিও বা অন্য ভাবে কোন মাধ্যমে প্রকাশ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


লেখিকা পরিচিতি

প্রেসিডেন্সী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের প্রাক্তনী শ্রেয়সী বিশ্বাস। পড়াশোনা এবং লেখালিখির পাশাপাশি, ছবি আঁকা এবং বাগান পরিচর্যাতেও শ্রেয়সী সমান উৎসাহী।

এই লেখাটি থেকে উপকৃত হলে সবার সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।



JumpMagazine.in এর নিয়মিত আপডেট পাবার জন্য –

X-geo-5-a-13