a-day-in-the-zoo
WB-Class-9

A Day in the Zoo

Englishনবম শ্রেণি – A Day in the Zoo


A brief introduction to the author

Gerald Malcolm Durrell (Jan. 7, 1925 – Jan. 30, 1995) was a British naturalist, zookeeper, conservationist, author, and television presenter. He played a controversial role in preserving and breeding endangered species. His true intention was returning them to the wild eventually. He produced more than 35 informative books about the animal kingdom and his adventures. Durrell’s first book, The Overloaded Ark (1953), was a best-seller. His some of other popular books are Three Singles to Adventure (1954), My Family and Other Animals (1956), A Zoo in My Luggage (1960), and Birds, Beasts, and Relatives (1969). Durrell was made an Officer of the Order of the British Empire in recognition of his wildlife conservation work.

 Summary of ‘A day in the Zoo’

The passage is taken from Menagerie Manor by Durrell, where he describes a day in the zoo and talks about the first-hand experience of the zoo-workers. The author explains that it is different to live in a zoo and look after, than visiting it as an outsider for a few hours. He says a day in the zoo starts very early in the morning. One can hear the birds singing and the peahens getting ready to dance.

The zoo staff arrives at eight o’clock. They greet to one another and then they get ready with their buckets and brushes to clean the whole place. One can find a lot of activity going on in the two-storied granite house where the mammals live. During the cleaning session the gorillas are let out of their cage and they race happily with high spirits. A zoo staff named Stephen stands and guards them while Mike, another staff cleans all the mess up from the floor and scatters fresh white sawdust. They assure that everything is fine. All the animals stay excited and eager about the new day.

The birds salute upstairs in the house. Several birds are found there like the parrots and parakeets, mongoose, a hairy armadillo, turacos etc. After the bird house one can walk to the reptile house. Here the reptiles doze at a temperature of eighty degrees. Snakes, lizards and frogs also laze around here.

At ten o’ clock the zoo gate is opened for the visitors and they all rush in. During this time all the zoo staff has to stay alert. This is not to ensure that the animals don’t hurt the humans but to ensure that the humans don’t hurt the animals. The uncivilized behaviour of some humans in a zoo is too harsh to believe. Some of these include throwing stones at a sleeping animal, or poke with a stick to make it move and giving lighter, razor blades to animals. Towards the evening the visiting crowd starts decreasing. During this time while the other animals and birds go to rest themselves, the owls that have spent all day pretending to be grey tree stumps, open their large golden eyes and get ready for their time.


[আরো পড়ুন – নবম শ্রেণি – বাংলা | নবম শ্রেণি – ইতিহাস | নবম শ্রেণি – ভূগোল]

The author says about his own experience of spending a whole day inside the zoo. At night lying in his bed he can see the moon move up the sky and separating itself from the shadows of the trees. The lion can be heard coughing. As the dawn arrives the chorus of the birds would start again, and it is time for another day in the zoo.

jump-magazine-subscription

বাংলায় আলোচনা

আমরা সাধারণ ভাবে আমরা যখন চিড়িয়াখানা যাই তখন আমাদের তাৎক্ষনিক কিছু অভিজ্ঞতা হয়। কিন্তু কেউ যদি, চিড়িয়াখানাতেই দীর্ঘ দিন থাকেন, সেক্ষেত্রে অবশ্যই তার কিছু আলাদা অভিজ্ঞতা হবে। লেখক ছিলেন একটি চিড়িয়াখানার মালিক, তাই অবিসম্ভাবি ভাবে তাঁর দিনের শুরু এবং শেষ দুটিই হত চিড়িয়াখানাতেই। ‘A day in the zoo’ গল্পে তিনি তাঁর একটি দিনের কথা লিপিবদ্ধ করেছেন।

তিনি বলেছেন, ভোর বেলা যখন রাতের আকাশে লালের আভা লাগে, তখন নানান পাখির আওয়াজে তাঁর দিন শুরু হয়। ভিন্ন ভিন্ন পাখির ডাক তিনি আলাদা করে বুঝতে পারেন। তিনি বুঝতে পারেন যে প্রথমে ট্যুরাক পাখি গম্ভীরভাবে ডাকছে, তারপরেই শুরু হয় আনন্দিত ব্ল্যাকবার্ডের গান। ঐ গান শেষ হলেই, থ্রাস পাখি চিৎকারে মাতিয়ে দেবে। শুধু তাই নয়, লনের দিকে তাকালে দেখা যাবে একদল ময়ূর, তাদের মধ্যে একজন আবার পেখম তুলে নাচ করছে।

সকাল আটটায় চিড়িয়াখানায় কর্মীরা আসে। চিড়িয়াখানার বাসিন্দারা যেন সকল কর্মচারীদের চিৎকারকরে অভিবাদন জানায়। এরপর কর্মীরা তাদের সাফাই শুরু করেন। চিড়িয়াখানার মধ্যে, বাদর সহ অন্যন্য স্তন্যপায়ীরা গ্রানাইট পাথরের একটি দোতলা বাড়িতে থাকে। এই জায়গা, পরিষ্কার করার সময়, নানান মজার কান্ড ঘটে। যেমন, গরিলাদের খাঁচা পরিষ্কার করার সময়, তাদের খাঁচা থেকে বের করা হয়। ঐ সময় গোরিলারা যেন ছুটি পাবার আনন্দে লাফা-লাফি শুরু করে, আনন্দের আতিশয্যে তারা ইলেকট্রিক হিটার খুলে ফেলতে চায়, আলোগুলি ভেঙে ফেলতে চায়। কর্মীদের মধ্যে স্টিফেন তাঁদের পাহারা দেয় এবং মাইক ও জেরেমি জন্তুদের খাঁচা পরিষ্কার করে। পরিষ্কার করার পাশাপাশি তারা এটাও দেখে নেয় যে সব কিছু ঠিক আছে কিনা।

দিনের শুরুতে সব পশু-পাখি রোমাঞ্চিত থাকে। ইটম্‌ নামক বনমানুষ (Apes) খাঁচার তার আঁকরে ঝুলে লেখককে অভিবাদন জানায়। পাখীরালয়ের মধ্যে টিয়া এবং তোতা পাখীরা অভিবাদনের মতো করে চিৎকার করতে শুরু করে। একদল নেউল খাঁচার চারদিকে দৌড়াতে থাকে। আবার আর্মাডিলো তার থাবা আর নাক কাঁপাতে কাঁপাতে শুয়ে থাকে। পাখীরালয়ের শেষ সদস্য হল ট্যুরাকজ পাখি, এদের মধ্যে পুরুষ পাখিটিকে লেখক দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকাকালীন পুষেছিলেন। পাখির ঘর থেকে লেখক সরীসৃপের ঘরের দিকে এগিয়ে যান। এখানে আশি ডিগ্রির মনোরম তাপমাত্রায় সরীসৃপরা বিশ্রাম নিচ্ছে।

সকাল দশটায় দর্শকদের জন্য চিড়িয়াখানার প্রবেশদ্বার খুলে দেওয়া হয়। যেহেতু প্রথমেই অনেক দর্শক একসাথে ঢুকে পড়েন তাই সবাইকে ভীষণ সতর্ক থাকতে হয়। আসলে পশু-পাখির থেকে মানুষের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে না, বরং মানুষের দ্বারাই পশু-পাখির ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে। যেমন অকারণে কিছু দর্শক ঘুমিয়ে থাকা প্রাণীদের উপরে পাথর ছুঁড়ে মারে বা লাঠি দিয়ে উত্তক্ত করে। আবার কখনও এমনও হয়েছে যে জ্বলন্ত সিগারেটের টুকরো বা ব্লেড শিম্পাঞ্জির দিকে এগিয়ে দেওয়া হয়েছে। মানুষের এই অকারণ অসভ্যতা লেখককে দুঃখ দেয়।

সন্ধের সময়ে ধীরে ধীরে চিরিয়াখানা ফাঁকা হতে শুরু করে। শেষ বেলার সূর্যের তির্যক আলো পায়রার খাঁচার উপর এসে পড়ে। রবিন পাখিরা সারা দিনের অবিরাম গান গাওয়ার পরে বিশ্রাম নিতে মিমোসা গাছের উপর বসে, আর অপর দিকে প্যাঁচারা, যারা সারাদিন বিশ্রাম নিচ্ছিলো, তারা নেমে আসে। ধীরে ধীরে রাত নেমে আসে। এদিকে শিম্পাঞ্জিদের গুহা থেকে কলরব ভেসে আছে, লেখকের মনে হয়, ঠিক যেন ওরা কে কোথায় শোবে, তা নিয়ে ঝগড়া করছে।


[আরো পড়ুন – নবম শ্রেণি – ভৌত বিজ্ঞান | নবম শ্রেণি – জীবন বিজ্ঞান | নবম শ্রেণি – গণিত ]

বিছানায় শোবার পরে লেখক আকাশে চাঁদ দেখতে পান। রাত বাড়তে থাকে, চাঁদ গাছের ছায়া থেকে বেরিয়ে তার পূর্ণ অবয়বে আসতে চায়। একটা দিন শেষ হয়। আগামীকাল আবার একটি কলতান মুখরিত সকালে লেখকের ঘুম ভাঙবে, আরো একটা দিন শুরু হবে। লেখক অপেক্ষা সকালের করেন।

Jump_Plus_digital_mock_test_X2_web_banner

Words to remember

  • Tinged –রঞ্জিত [Synonym: Tint, colour, shade]
  • Hoarse –কর্কশ [Synonym: Harsh, rude]
  • Gallop – দ্রুত ছোটা [Synonym: Race, Run]
  • Wrench –মচকানো [Synonym: Tug, Pull]
  • Scatter –ছড়ানো/বিক্ষিপ্ত করা [Synonym: Spatter, Sprinkle]
  • Sawdust –কাঠের মিহি গুঁড়ো
  • Bustle –ছুটাছুটি/ব্যস্ততা [Synonym: Hurry, Rampage]
  • Fluorescent –প্রতিপ্রভ [Synonym: Luminous. Beaming]
  • Cacophony –কর্কশ শব্দ [Synonym: Noise, Discord]
  • Patter –বিড়বিড় করা / টুপটাপ করে পড়া [Synonym: Gobble, Bubble]
  • Peers –দৃষ্টিপাত করা [Synonym: Turn up, Haunt, Appear]
  • Prod –শঙ্কু [Synonym: Pin, Cone]
  • Slanting –তির্যক [Synonym: Slope, Angle, Tilt]
  • Straw –খড় [Synonym: Hay]

About the Writer

Ms. Indira Mukherjee has completed her Masters in English literature. She has active interest in photography, painting and writing.



এছাড়া,পড়াশোনা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ের আলোচনায় সরাসরি অংশগ্রহন করতে যুক্ত হতে পারেন ‘লেখা-পড়া-শোনা’ ফেসবুক গ্রূপে। এই গ্রুপে যুক্ত হতে ক্লিক করুন এখানে।